মঙ্গলবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২২, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ ::
সিলেটের সর্বকনিষ্ঠ প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন আজিম শাবিতে শিক্ষার্থীদের উপর নগ্ন হামলার প্রতিবাদে জেলা ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল সেই দুই রির্টানিং কর্মকর্তাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ উত্তাল শাবিপ্রবিতে চলছে ভর্তি কার্যক্রম ‘যেই ভিসি ‘কসাই’, সেই ভিসির পতন চাই! শাবির হলে হলে শিক্ষার্থীদের তালা, হলগুলো শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল শাবি ইভিএমে ভোট কারচুপির সুযোগ নেই: মন্ত্রী তাজুল ইসলাম শাবিতে শিক্ষার্থীর সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, তদন্ত কমিটি গঠন তীব্র ঝড়ে যুক্তরাষ্ট্রের ২৭০০ ফ্লাইট বাতিল কমলগঞ্জে অগ্নিকাণ্ড, ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি এবার ভিসির পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল শাবি তাহিরপুরে কোয়ারিতে মাটি চাপায় প্রাণ গেল শ্রমিকের শাবিপ্রবির সিরাজুন্নেসা হলের নতুন প্রভোস্ট ড. নাজিয়া কানাইঘাটে সাংবাদিকের হাত-পা ‘কাটলো’ প্রতিপক্ষ

সোনার বাংলা গড়ার শপথ করালেন প্রধানমন্ত্রী

নতুন সিলেট প্রতিবেদক:
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১
সোনার বাংলা গড়ার শপথ করালেন প্রধানমন্ত্রী - Natun Sylhet

সবুজ ঘাসের গালিচায় আগামির প্রজন্মসহ দাঁড়িয়ে সব বয়সী জনতা। ডান হাতে মুষ্টিতে রাখা জাতীয় পতাকা। বাম হাতে ধরা শপথের কাগজ।কোনো উৎসবে অংশ নেওয়া নয়। চোখ দু’টো যেনো ছল ছল করছে সকলের ইতিহাসের সাক্ষি হতে পেরে।

বুকে দেশপ্রেমের আবেগ নিয়ে ছুটে চলা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। এ যেনো অন্য রকম অনুভূতি। ছুটে যাচ্ছেন ছেলে-বুড়ো সকলে। প্রধানমন্ত্রী শপথবাক্য পাঠ করাবেন তাই। প্রশাসন থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র শিক্ষক, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবী, ব্যবসায়ী, ক্রীড়াঙ্গনের মানুষ। সকল শ্রেনীর মানুষের ছুটে চলা ছিল সিলেট জেলা স্টেডিয়াম শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে।

বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর)বেলা ২টার পর থেকে সকল শ্রেনী পেশার মানুষের গন্তব্য ছিল স্টেডিয়াম অভিমুখে। ফলে যানবাহনের চাপে স্তব্দ হয়ে পড়ে সিলেট নগরী। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা থেকে সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠানে প্রজেক্টরে সামনে থেকে শপথ বাক্য পাঠ করাতে যুক্ত হন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রথমেই ভাসনে জাতির জনককে স্মারণ ও বীর শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট হত্যাকান্ডে শহীদ নিজের পরিবারের শহীদানদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানিয়ে শপথ বাক্য পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে সিলেট জেলা ষ্টেডিয়ামে কয়েক হাজার মানুষ জড়ো হন। সবার লক্ষ একটাই বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রীর শপথ পাঠে শরিক হয়ে ইতিহাসের অংশ হওয়া। হাজার হাজার কন্ঠে ধ্বনিত জয় বাংলায় পুরো সিলেট জেলা স্টেডিয়াম যেনো মুখর হয়ে ওঠে। ঐতিহাসিক দিনে সকল বয়সী মানুষের কন্ঠ ধ্বনিত হলো ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি।’

এর রেশ যেনো রয়ে গেলো আকাশে-বাতাসে।যারা আসতে পারেননি, তাদের হয়তো আফসোস কুঁড়ে খাবে- আবার কি পাবো এরকম দিন? জন্মশত বর্ষ বা রজতজয়ন্তী পেতে হলে যে অপেক্ষায় থাকতে হবে আরো ৫০ বছর!

দেশের বিভাগীয় জেলা, জেলা ও উপজেলা স্টেডিয়াম ও বিজয় দিবসের নির্ধারিত ভেন্যু থেকে সাধারণ মানুষ জাতীয় পতাকা হাতে শপথ বাক্য পাঠ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয় বিকেল সাড়ে চারটায়। প্রথমেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শপথ পাঠের জন্য বক্তব্য শুরু করেন। সাথে সাথে পুরো ষ্টেডিয়াম নিরবতায় ছেয়ে যায়। সবার দৃষ্টি ডিজিটাল স্কিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে।সিলেট জেলা ষ্টেডিয়ামে বুকে অগাধ দেশপ্রেম নিয়ে অংশ নে্ওয়া হাজার হাজার মানুষের কণ্ঠে জয়বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু ধ্বনিত হয়। এ যেনো এক অন্যরকম আবেগঘন মুহুর্ত। অন্যরকম এক ভালোবাসার দিন। যা নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস হবার নয়।

স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে ‘মহাবিজয়ের মহানায়ক’ শিরোনামে বৃহস্পতি ও শুক্রবার (১৬ ও ১৭ ডিসেম্বর) জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আয়োজনের প্রথমদিন ১৬ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী সবাইকে শপথ বাক্য পাঠ করান।

সুবর্ণজয়ন্তী ও মুজিববর্ষের শপথ:
‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে এক রক্তক্ষয়ী মুক্তি-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করেছে। বিশ্বের বুকে বাঙালি জাতি প্রতিষ্ঠা করেছে তার স্বতন্ত্র জাতিসত্তা।

আজ বিজয় দিবসে দৃপ্তকণ্ঠে শপথ করছি যে, শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেবো না— দেশকে ভালোবাসবো, দেশের মানুষের সার্বিক কল্যাণে সর্বশক্তি নিয়োগ করবো। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের আদর্শে উন্নত, সমৃদ্ধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার সোনার বাংলা গড়ে তুলবো। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হোন।’
এসময় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজার বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষ হয়ে গেলেও এর রেশ যেনো রয়ে যায় আকাশে-বাতাসে।যারা আসতে পারেননি, তাদের হয়তো আফসোস কুঁড়ে খাবে- আবার কি পাবো এরকম দিন? জন্মশত বর্ষ বা রজতজয়ন্তী পেতে হলে যে অপেক্ষায় থাকতে হবে আরো ৫০ বছর!

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© নতুন সিলেট মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২২
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102