শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:৪২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ ::
‘বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি এ দেশের অমূল্য সম্পদ’ খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে গবেষণায় গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ইভ্যালির ওয়েবসাইট-অ্যাপ বন্ধ শেখঘাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিদর্শনে পরিকল্পনামন্ত্রী আন্তর্জাতিক ডিজাইন প্রতিযোগিতায় রাহুলের স্বর্ণপদক জয়  ৬শ’ কোটিতে ৩২০ কোরিয়ান এসি বাস কিনবে সরকার সৌদি জোটের হামলায় ইয়েমেনে নিহত ১৬০ সিলেটে কাল যেসব এলাকায় থাকবে না বিদ্যুৎ শেখ হাসিনা একজন স্ট্রং ক্লাইমেট ফাইটার-পরিকল্পনামন্ত্রী মহানবীর জীবনাদর্শে মুক্তি নিহিত-শফিকুর রহমান চৌধুরী শাবির নৃবিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক জাকারিয়া ছাত্রলীগের কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে গোলাপগঞ্জে আনন্দ মিছিল সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িকতা রুখতে হবে-্অ্যাডভোকেট জামান জুমার দিনের সুন্নাত আমল সিলেটে এবার প্লাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে রাস্তায় ছাত্রলীগ

শাহজালাল সার কারখানার সাবেক হিসাব প্রধানের বিরুদ্ধে ১৫ মামলা

নতুন সিলেট ডেস্ক:
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৫ আগস্ট, ২০২১
শাহজালাল সার কারখানার সাবেক হিসাব প্রধানের বিরুদ্ধে ১৫ মামলা - Natun Sylhet

ভুয়া বিল-ভাউচারে প্রায় ৩৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ভুয়া বিল-ভাউচারে শাহজালাল সার কারখানার প্রায় ৩৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের হিসাব বিভাগের সাবেক প্রধান কর্মকর্তা খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবালসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে ১৫টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় সিলেটের উপ-পরিচালক মো. নুর-ই-আলম বাদী হয়ে গত মঙ্গলবার এ কার্যালয়ে মামলাগুলো দায়ের করেন।

জানা গেছে, দুর্নীতির অভিযোগে মামলাগুলোর প্রধান আসামি খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবাল ও অপর আসামি প্রতিষ্ঠানের সাবেক রসায়নবিদ নেছার উদ্দিন আহমদকে বরখাস্ত করা হয়। সরকারি মালিকানাধীন সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের ওই সার কারখানা থেকে বরখাস্তের পর প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ তদন্ত ও দুদকের অনুসন্ধানে তাদের দুর্নীতির তথ-প্রমাণ বেরিয়ে আসে।

এজাহারগুলোতে বলা হয়, গত ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত শাহজালাল ফার্টিলাইজার প্রকল্পের উন্নয়ন কাজে অনিয়ম, দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার ও পরস্পর যোগসাজসে ভুয়া বিল-ভাউচারে আসামিরা মোট ৩৮ কোটি ৭১ লাখ ২৪ টাকা আত্মসাৎ করেন। আসামিদেরে মধ্যে আটজনই ঠিকাদার।

গত ২০১৩-১৮ সাল পর্যন্ত প্রকল্পের নানা নির্মাণ কাজে বড় ধরনের দুর্নীতির প্রমাণ মিলেছে। এছাড়া কেনাকাটা, গাড়ি সার্ভিসিং, গাড়ি মেরামত, গাড়ি ভাড়া, আপ্যায়ন, ভুয়া সম্মানি ভাতা প্রদান, খাবার বিল, ফটোকপিসহ নানা উৎস থেকে ভুয়া বিল দাখিল করে ওই টাকা আত্মসাৎ করা হয়।

প্রকল্পের হিসাব বিভাগের সাবেক প্রধান কর্মকর্তা খোন্দকার মুহাম্মদ ইকবালকে ১৪টি মামলায় আসামি করা হয়েছে। সাবেক রসায়নবিদ নেছার উদ্দিন আহমদকে আসামি করা হয় দুই মামলায়।

আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬/৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাগুলো করা হয়।

শাহজালাল সার কারখানার ওই পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত ও ১৫ মামলার আসামি আট ঠিকাদার হলেন, মেসার্স টিআই ইন্টারন্যাশনালের মালিক মোসা. হালিমা আক্তার, মেসার্স রাফী এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. নুরুল হোসেন, ফালগুনী ট্রেডার্সের এমডি এএসএম ইসমাইল খান, মেসার্স আয়মান এন্টারপ্রাইজের মালিক সাইফুল হক, মেসার্স এন আহমদ অ্যান্ড সন্সের মালিক নাজির আহমদ (বচন), মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. হেলাল উদ্দিন, মেসার্স ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনালের মালিক মো. জামশেদুর রহমান খন্দকার ও মেসার্স সাকিব ট্রেডার্সের মালিক মো. আহসান উল্লাহ চৌধুরী।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© নতুন সিলেট মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102