মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ ::
দুবাগ আল-ইসলাহ’র নতুন কমিটি: সভাপতি কমর উদ্দিন, সম্পাদক নাসির হবিগঞ্জে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান নবম শ্রেণির ছাত্রী অষ্টমণি সমাজ সেবা উপ-পরিচালক! ফেসবুক ব্যবহার করতে লাগবে অভিভাবকের অনুমতি আকরামের মুক্তির দাবিতে সিলেটে ছাত্রদলের বিক্ষোভ দোয়ারায় স্কুল শিক্ষার্থীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ ওসমানী হাসপাতালের ১৭ কর্মচারীকে বিদায় সংবর্ধনা ‘হাসান মার্কেটের উন্নয়নে সিসিক অতীতেও কাজ করেছে’ ‘দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত’ ৮২ বার পেছালো সাগর-রুনি হত্যার প্রতিবেদনের সময় বঙ্গমাতার নামে সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নামকরণের সিদ্ধান্ত শক্তিশালী যোগাযোগ নেটওয়ার্কে এগিয়ে যাবে দেশ জকিগঞ্জে ইয়াবাসহ নারী গ্রেফতার খুলেছে শাবি, হলে ফেরা শিক্ষার্থীদের বরণ নাইজেরিয়ায় তেল শোধনাগারে বিস্ফোরণ, নিহত ২৫

৪৩ বছর আগে কেনা শেয়ারের দাম উঠল ১,৪৪৮ কোটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
  • আপডেট : বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
৪৩ বছর আগে কেনা শেয়ারের দাম উঠল ১,৪৪৮ কোটি - Natun Sylhet

৪৩ বছর আগে কেনা শেয়ারের দাম উঠল ১,৪৪৮ কোটিবাবু জর্জ ভালাভি। চার আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে একটি সংস্থার সাড়ে তিন হাজার শেয়ার কিনেছিলেন ভারতের কেরালা রাজ্যের কোচির বাসিন্দা বাবু জর্জ ভালাভি। সেটা ৪৩ বছর আগের ঘটনা।

পরে ওই শেয়ারের বিষয়ে কোনো তিনি খোঁজ নেননি। অনেক বছর পর ওই শেয়ারের নথিপত্র খুঁজে পেয়ে তিনি জানতে পেলেন, ৪৩ বছর আগে কেনা সেই শেয়ারের দাম উঠেছে ১ হাজার ৪৪৮ কোটি রুপি।

ভারতের সংবাদ সংস্থাকে বাবু জর্জ ভালাভি বলেন, ওই সংস্থার প্রায় ২ দশমিক ৮ শতাংশ অংশীদারিত্ব ছিল তার। কিন্তু এখন শেয়ারের এই বিপুল পরিমাণ অর্থ তাকে দিতে যাচ্ছে না সংস্থাটি।

৪৩ বছর আগে ‘মেবার অয়েল অ্যান্ড জেনারেল মিলস লিমিটেড’ নামের সংস্থার সাড়ে তিন হাজার শেয়ার কিনেছিলেন বাবু। শেয়ার ক্রয়ে তার সঙ্গে ছিলেন আরও চারজন। তারা সবাই তার আত্মীয়।

পুরোনো কাগজ খুঁজতে গিয়ে বাবু বিনিয়োগের বেশ কিছু নথি দেখতে পান। উদয়পুরের ওই সংস্থা থেকে কেনা শেয়ারের নথির বিষয়ে খোঁজ নেওয়া শুরু করেন। তখন জানতে পারেন, তিনি যে শেয়ার কিনেছিলেন, তার বর্তমান দাম উঠেছে ১ হাজার ৪৪৮ কোটি রুপি।

খোঁজ নিয়ে ওই বাবু জানতে পারেন, ৪৩ বছর আগে তিনি যে শেয়ার কিনেছিলেন, সেই সময় উদয়পুরের ওই সংস্থা শেয়ার বাজারের নথিভুক্ত ছিল না। কিন্তু এখন সংস্থার নাম পাল্টে ‘পিআই ইন্ডাস্ট্রিজ’ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সেটা শেয়ার বাজারের নথিভুক্ত সংস্থার তালিকাতেও এসেছে।

২০১৫ সালে বাবুর ছেলে শেয়ারের কাগজপত্র নিয়ে এক এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। ওই এজেন্ট সংস্থার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন।

পরে তারা ওই সংস্থায় গেলে তাদের বলা হয়, ওই শেয়ার ১৯৮৯ সালে অন্য ব্যক্তিদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ কথা শুনে স্তম্ভিত হয়ে যান তারা। কিন্তু আসল নথি তাদের কাছেই রয়েছে।

বাবু জর্জ ভালাভি বলেন, অবৈধভাবে তার শেয়ার অন্যদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে পিআই ইন্ডাস্ট্রিজ। পরে বিষয়টি নিয়ে তিনি সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়ার কাছে যান তিনি। তবে এখনও কোনো সুরাহা হয়নি।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© নতুন সিলেট মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102