বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ ::
সিলেটে উন্নয়নের নামে অর্ধশত ছায়াবৃক্ষ কাটলো সিসিক সিলেটে ৪ দিনের সফরে আসছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ‘দেশের ইমেজ নষ্ট করতে চায় বিএনপি’ সিলেটে কমেছে করোনা আক্রান্ত-মৃত্যু সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ টিকা আসছে রাতে স্পেনে গিয়েই স্বামীকে অচেতন করে সন্তানসহ স্ত্রীর চম্পট! অনুমোদন ছাড়া প্রায় কোটি টাকার গাছ কাটল সিসিক ‘মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণের মধ্যেই শান্তি নিহিত’ বাংলাদেশকে আরও ২৫ মিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র আরিয়ানের জন্য ক্ষতির মুখে সালমান ফেসবুকের নাম পরিবর্তন আসতে পারে অসামাজিক কাজে লিপ্ত, ৯ নারী-পুরুষ গ্রেফতার শান্তি ও মুক্তির সহজ আমল এবার সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উ. কোরিয়ার শনিবার সিলেটের যেসব এলাকায় থাকবে না বিদ্যুৎ

কিবরিয়া হত্যা: বিস্ফোরক মামলায় আরেকজনের সাক্ষ্যগ্রহণ

নতুন সিলেট প্রতিবেদক:
  • আপডেট : বুধবার, ৬ অক্টোবর, ২০২১
কিবরিয়া হত্যা: বিস্ফোরক মামলায় আরেকজনের সাক্ষ্যগ্রহণ - Natun Sylhet

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যার পর এবার বিস্ফোরক মামলায় আরও একজনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে।

বুধবার (৬ অক্টোবর) সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী দেন গ্রেনেড হামলায় আহত হবিগঞ্জের বাসিন্দা আব্দুর রউফ।আদালতের বিচারক হুমায়ন কবীর তার সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

সাক্ষ্যগ্রহণকালে সাবেক স্বারাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ব্যতীত সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জিকে গৌছ মামলার ২০ আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর সরওয়ার আহমদ চৌধুরী আবদাল এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা ও বিস্ফোরক মামলা দুটির বাদী সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল মজিদ। বিস্ফোরক মামলায় (নং-২৩/০৫) ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর ২৮ আসামির বিরুদ্ধে চার্জগঠনের পর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। কিন্তু সাক্ষীদের হাজির করতে না পারায় গত এক বছরে মাত্র ৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এছাড়া কিবরিয়া হত্যা মামলায় ১৭১ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ বছরে মাত্র ৪৪ জন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন।

২০০৫ সালর ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজলার বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা শেষে ফেরার পথে গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়াসহ ৫ জন।

এ ঘটনায় দায়ের করা মামলা তিন দফায় তদন্ত করে সিআইডি। ২০০৫ সালে ১৮ মার্চ প্রথম দফায় শহীদ জিয়া স্মৃতি ও গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতিসহ ১০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে একটি অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি। এই অভিযোগপত্রের বিরুদ্ধে আদালতে নারাজি দেন বাদী মজিদ খান। ২০০৭ সালে মামলাটি পুনঃ তদন্তের জন্য আবারো সিআইডিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এরপর ২০১১ সালের ২০ জুন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, মুফতি হান্নানসহ ২৪ জনকে আসামি করে অধিকতর তদন্তের অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। ওই বছরের ২৮ জুন শাহ এএমএস কিবরিয়ার স্ত্রী আসমা কিবরিয়া এই অভিযোগপত্রের ওপরও না-রাজি আবেদন করেন।

সর্বশেষ ২০১৪ সালের ১২ নভেম্বর সিআইডি সিলেট রেঞ্জের সিনিয়র এএসপি মেহেরুন নেছা পারুল সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীসহ ৩২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে গত ২০১৫ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়।

মামলায় পলাতক রয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আব্দুল হাই, মোহাম্মদ আলী, বদরুল ওরফে মো. বদরুল, আলহাজ্ব মাওলানা তাজ উদ্দিন, মো. মুহিবুর রহমান।

আসামিদের মধ্যে কারাগারে আছেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, মিজানুর রহমান মিটু, হাফেজ সৈয়দ নাঈম আহমদ আরিফ প্রকাশ নিমু, বদরুল আলম মিজান, মাওলানা শেখ ফরিদ আহমদ, আব্দুল মাজেদ ভাট ওরফে ইউসুফ ভাট, মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন ওরফে খাজা ওরফে আবু জান্দাল ওরফে মাসুম বিল্লাহ, মুহিবুল্লাহ ওরফে মুজিবুর রহমান প্রকাশ অভি, মাওলানা শেখ আব্দুস সালাম।

এছাড়া সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জিকে গৌছসহ ১২ জন জামিনে রয়েছেন।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© নতুন সিলেট মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102