শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ ::
‘বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি এ দেশের অমূল্য সম্পদ’ খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে গবেষণায় গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ইভ্যালির ওয়েবসাইট-অ্যাপ বন্ধ শেখঘাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিদর্শনে পরিকল্পনামন্ত্রী আন্তর্জাতিক ডিজাইন প্রতিযোগিতায় রাহুলের স্বর্ণপদক জয়  ৬শ’ কোটিতে ৩২০ কোরিয়ান এসি বাস কিনবে সরকার সৌদি জোটের হামলায় ইয়েমেনে নিহত ১৬০ সিলেটে কাল যেসব এলাকায় থাকবে না বিদ্যুৎ শেখ হাসিনা একজন স্ট্রং ক্লাইমেট ফাইটার-পরিকল্পনামন্ত্রী মহানবীর জীবনাদর্শে মুক্তি নিহিত-শফিকুর রহমান চৌধুরী শাবির নৃবিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক জাকারিয়া ছাত্রলীগের কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে গোলাপগঞ্জে আনন্দ মিছিল সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িকতা রুখতে হবে-্অ্যাডভোকেট জামান জুমার দিনের সুন্নাত আমল সিলেটে এবার প্লাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে রাস্তায় ছাত্রলীগ

নামাজ কবুল না হওয়ার ৩ কারণ?

নতুন সিলেট ডেস্ক :
  • আপডেট : শুক্রবার, ৮ অক্টোবর, ২০২১
নামাজ কবুল না হওয়ার ৩ কারণ? - Natun Sylhet

ইসলাম স্বভাবজাত ধর্ম। এতে মানুষের জন্য কল্যাণকর বিষয়ের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং অকল্যাণকর বিষয় থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। কিছু স্বভাব ইতিবাচক ও পছন্দনীয় আর কিছু স্বভাব নিন্দনীয় ও বর্জনীয়। তিনটি মন্দ স্বভাবের কারণে তিন প্রকার মানুষ আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয় বলে হাদিসে বলা হয়েছে। এমনকি এসব মানুষের নামাজও আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না।

আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, তিন ব্যক্তির নামাজ তাদের মাথার এক বিঘত ওপরেও ওঠে না- ১. যে ব্যক্তি জনগণের অপছন্দ হওয়া সত্ত্বেও তাদের ইমামতি করে, ২. যে নারী তার স্বামীর অসন্তুষ্টিসহ রাতযাপন করে এবং ৩. পরস্পর সম্পর্ক ছিন্নকারী দুই ভাই। (ইবনে মাজা : ৯৭১)। অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, তিন ব্যক্তির নামাজ তাদের কানও অতিক্রম করে না (কবুল হয় না)- ১. পলায়নকারী দাস যে পর্যন্ত তার মালিকের কাছে ফিরে না আসে, ২. যে মহিলা তার স্বামীর অসন্তুষ্টি নিয়ে রাত কাটায় এবং ৩. যে ইমামকে তার সম্প্রদায়ের লোকেরা পছন্দ করে না। (তিরমিজি : ৩৬০)

হাদিস শরিফে আরও ইরশাদ হয়েছে, ‘কোনো পুরুষ নিজ স্ত্রীকে তার শয্যার দিকে ডাকলে সে যদি তাতে সাড়া না দেয়, অতঃপর তার স্বামী তার ওপর রাগান্বিত হয়ে রাতযাপন করে, তাহলে ফেরেশতারা তাকে সকাল পর্যন্ত অভিশাপ দিতে থাকে।’ (বুখারি : ৩২৩৭)। তবে কেউ অসুস্থ হলে কিংবা শরিয়ত সমর্থিত কোনো কারণ থাকলে সেটা অবশ্যই বিবেচ্য। মহান আল্লাহ কারও সাধ্যের বাইরে কোনো কিছু কারও ওপর চাপিয়ে দেন না।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখতেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসুল, আপনি সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রেখে থাকেন। তিনি বলেন, আল্লাহ তায়ালা সোমবার ও বৃহস্পতিবার এই দুদিন পরস্পর সম্পর্ক ছিন্নকারী দুই ব্যক্তি ব্যতীত প্রত্যেক মুসলমানকে ক্ষমা করেন। তিনি (ফেরেশতাদের) বলেন, তারা সন্ধিতে আবদ্ধ হওয়া অবধি তাদের ত্যাগ করো। (ইবনে মাজাহ : ১৭৪০)। তাই নিছক নিজেদের হীন স্বার্থে কোনো মুসলমান ভাইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার অবকাশ নেই। যদি শুধু আল্লাহর জন্য কারও সঙ্গে সম্পর্ক করা জরুরি হয়ে পড়ে, সেটা ভিন্ন কথা।

দোয়া কবুল না হওয়া প্রসঙ্গে আল্লাহর রাসুল (সা.) হারাম খাবার আহার করার বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। মুসনাদে আহমাদের এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘যে বান্দা হারাম সম্পদ উপার্জন করে, যদিও সে সদকা করে তা কবুল হবে না।

আর যদি ব্যয় করে তবে তাতেও কোনো বরকত হবে না। আর যদি রেখে মারা যায় তা জাহান্নামে যাওয়ার পাথেয় হবে। আল্লাহ তায়ালা মন্দ (কাজ) দ্বারা মন্দকে মিঠিয়ে দেন না, হ্যাঁ ভালো কাজ দ্বারা মন্দকে মিঠিয়ে দেন, নিঃসন্দেহে নাপাকিকে নাপাকি দূরীভূত করতে পারে না।’ (মুসনাদে আহমাদ : ৩৬৭২)

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© নতুন সিলেট মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102