শনিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২১, ১১:২৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ ::
‘বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি এ দেশের অমূল্য সম্পদ’ খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে গবেষণায় গুরুত্বারোপ প্রধানমন্ত্রীর ইভ্যালির ওয়েবসাইট-অ্যাপ বন্ধ শেখঘাট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিদর্শনে পরিকল্পনামন্ত্রী আন্তর্জাতিক ডিজাইন প্রতিযোগিতায় রাহুলের স্বর্ণপদক জয়  ৬শ’ কোটিতে ৩২০ কোরিয়ান এসি বাস কিনবে সরকার সৌদি জোটের হামলায় ইয়েমেনে নিহত ১৬০ সিলেটে কাল যেসব এলাকায় থাকবে না বিদ্যুৎ শেখ হাসিনা একজন স্ট্রং ক্লাইমেট ফাইটার-পরিকল্পনামন্ত্রী মহানবীর জীবনাদর্শে মুক্তি নিহিত-শফিকুর রহমান চৌধুরী শাবির নৃবিজ্ঞানের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক জাকারিয়া ছাত্রলীগের কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে গোলাপগঞ্জে আনন্দ মিছিল সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সাম্প্রদায়িকতা রুখতে হবে-্অ্যাডভোকেট জামান জুমার দিনের সুন্নাত আমল সিলেটে এবার প্লাকার্ড ও ফেস্টুন নিয়ে রাস্তায় ছাত্রলীগ

করোনার বছরে দরিদ্র দেশের ঋণ বেড়েছে ১২%

নতুন সিলেট ডেস্ক :
  • আপডেট : বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১
করোনার বছরে দরিদ্র দেশের ঋণ বেড়েছে ১২% - Natun Sylhet

বিশ্বজুড়ে ২০২০ সাল ছিল করোনার বছর। এ বছরে নিম্ন আয়ের দেশগুলোর ঋণের বোঝা গত বছর ১২ শতাংশ বেড়ে ৮৬ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছেছে। সেমাবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিশ্ব ব্যাংক।

এতে বলা হয়, কভিড-১৯ মোকাবিলায় দেশগুলো বড় আকারের প্রণোদনা প্যাকেজ গ্রহণ করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০২০ সালে দরিদ্র দেশগুলোয় বেড়েছে ঋণের বোঝা।

বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ডেভিড ম্যালপাস বলেছেন, নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলো সংকটে রয়েছে- প্রতিবেদনে এরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

তিনি নতুন ইন্টারন্যাশনাল ডেট স্ট্যাটিস্টিক্স ২০২২ প্রতিবেদনে এক বিবৃতিতে জানান, ঋণবিষয়ক সমস্যার জন্য ঋণ কমানো, দ্রুত পুনর্গঠন এবং স্বচ্ছতা বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন।

ম্যালপাসের মতে, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও দারিদ্র্য কমাতে টেকসই ঋণ স্তর গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিবেদনের বরাতে রয়টার্স জানায়, নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোর সমন্বিত বিদেশি ঋণের পরিমাণ গত বছর ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারে। আর এর প্রভাব পড়ছে সব অঞ্চলের দেশগুলোয়।

বিশ্ব ব্যাংক বলছে, দরিদ্র দেশগুলোর নেয়া বিদেশি ঋণের পরিমাণ ছাড়িয়ে গেছে মোট জাতীয় আয় (জিএনআই) ও রপ্তানি প্রবৃদ্ধিকে। বিদেশি ঋণ ও জিএনআইর অনুপাত ২০২০ সালে ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২ শতাংশে। অন্যদিকে এ সময় ঋণ ও রপ্তানির অনুপাত বেড়ে পৌঁছেছে ১৫৪ শতাংশে। ২০১৯ সালে এ হার ছিল ১২৬ শতাংশ।

প্রতিবেদন বলছে, বহুমুখী ঋণদাতাদের কাছ থেকে নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলো গত বছর নিট ঋণ নিয়েছে ১১ হাজার ৭০০ কোটি ডলার, যা এক দশকে সর্বোচ্চ। নিম্ন আয়ের দেশগুলোর নিট ঋণের অংক ২৫ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ১০০ কোটি ডলার। এটি এক দশকে সবচেয়ে বেশি। মোট নিট ঋণের ৪ হাজার ২০০ কোটি ডলার দিয়েছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বহুমুখী ঋণদাতারা।

বিশ্ব ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ কারম্যান রেইনহার্টের মতে, সুদহার বেড়ে যাওয়ায় চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন উচ্চ ঋণে জর্জরিত দেশগুলোর সংকট আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, আর্থিক বাজার নাজুক অবস্থায় রয়েছে। ফলে ঋণ সংকট মোকাবিলায় নীতিনির্ধারকদের যথাযথ প্রস্তুতি নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে বিকাশমান বাজার ও উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশগুলোয়।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© নতুন সিলেট মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102