বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ ::
সিলেটে উন্নয়নের নামে অর্ধশত ছায়াবৃক্ষ কাটলো সিসিক সিলেটে ৪ দিনের সফরে আসছেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ‘দেশের ইমেজ নষ্ট করতে চায় বিএনপি’ সিলেটে কমেছে করোনা আক্রান্ত-মৃত্যু সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ টিকা আসছে রাতে স্পেনে গিয়েই স্বামীকে অচেতন করে সন্তানসহ স্ত্রীর চম্পট! অনুমোদন ছাড়া প্রায় কোটি টাকার গাছ কাটল সিসিক ‘মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণের মধ্যেই শান্তি নিহিত’ বাংলাদেশকে আরও ২৫ মিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র আরিয়ানের জন্য ক্ষতির মুখে সালমান ফেসবুকের নাম পরিবর্তন আসতে পারে অসামাজিক কাজে লিপ্ত, ৯ নারী-পুরুষ গ্রেফতার শান্তি ও মুক্তির সহজ আমল এবার সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উ. কোরিয়ার শনিবার সিলেটের যেসব এলাকায় থাকবে না বিদ্যুৎ

সংশোধনের জন্য ৫০টি মামলায় ৭০ কিশোরকে মুক্তি

নতুন সিলেট প্রতিবেদক, সুনামগঞ্জ :
  • আপডেট : বুধবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২১
সংশোধনের জন্য ৫০টি মামলায় ৭০ কিশোরকে মুক্তি - Natun Sylhet

সুনামগঞ্জে ৫০ মামলায় ৭০ জন শিশু কিশোরকে সংশোধনের জন্য কারাগারের পরিবর্তে ফুল দিয়ে বরণ করে বাবা-মায়ের জিম্মায় দিলেন নারী ও শিশু আদালত।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) বেলা ১২টায় এ রায় দেন সুনামগঞ্জ নারী ও শিশু আদালতের বিচারক মোহাম্মদ জাকির হোসেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারী ও শিশু আদালেতের সরকারি কৌশলী (পিপি) নান্টু রায়।

আদালত সুত্রে জানা যায়, কোমলমতি শিশুদেরকে পরিবারের অন্য সদস্যদের সাথে বিভিন্ন মামলায় জড়ানো হয়েছিল। শিশুদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাদেরকে মুক্তি দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে নিতে বিশ্ব শিশু দিবস উপলক্ষে সুনামগঞ্জের এসব শিশুদের জন্য লঘু অপরাধের ৫০টি মামলায় ৭০জন শিশুকে সংশোধনের সুযোগ দিয়ে কারাগারের পরিবর্তে ফুল দিয়ে বরণ করে বাবা-মায়ের জিম্মায় ব্যতিক্রমী রায় দিলেন বিচারক।

ক্ষুদ্র একটি অভিযোগে শিশুদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিয়তা নিয়ে আদালতে হাজিরা দিতে হত। এসব অসুবিধা থেকে মুক্তি দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে দিতে কারাগারের পরিবর্তে পরিবারের সদস্যদের সাথে রেখে সংশোধনের জন্য বাবা-মায়ের জিম্মায় পাঠালো আদালত। পরিবারের সান্নিধ্যে এসব শিশুরা স্বাভাবিকভাবে বেড়ে ওঠতে পারবে। এজন্য ছয়টি শর্তে মামলাগুলো নিষ্পতি করেন।

শর্তগুলো হলো প্রতিদিন দুইটি করে ভালো কাজ করা এবং তা তাদেরকে আদালত কর্তৃক প্রদত্ত ডায়রীতে লিখে রাখা ও বছর শেষে ডায়রী আদালতে জমা দেওয়া। বাবা-মাসহ গুরুজনদের আদেশ নির্দেশ মেনে চলা এবং বাবা-মায়ের সেবা যত্ন করা ও কাজে কর্মে তাদের সাহায্য করা। নিয়িমিত ধর্মগ্রন্থ পাঠ করা এবং ধর্মকর্ম পালন করা। অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করা। মাদক থেকে দূরে থাকা। ভবিষ্যতে কোন অপরাধের সাথে নিজেকে না জড়ানো।

আদালতের পক্ষ থেকে এসব শর্ত প্রতিপালন হচ্ছে কিনা তা আগামী একবছর প্রবেশন কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ শফিউর রহমান পর্যবেক্ষণ করবেন এবং প্রতি তিন মাস পর পর আদালতকে অবহিত করবেন।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© নতুন সিলেট মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102