রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ ::
রাত পোহালে ৭৭ ইউপিতে ভোট: ঝুঁকিপূর্ণ সিলেটের ১৩৮ কেন্দ্র দোয়ারায় বসতঘরে অগ্নিকাণ্ড, দুই লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি নূরল আমীন এর ‘ভাটি বাঙলার উচ্ছ্বাস’ কাব্যগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন হবিগঞ্জে ১৩০ টাকায় পুলিশের চাকরি পেলেন ৪৪ জন কমলগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের করোনা টিকা প্রদান শুরু খালেদা জিয়ার সুস্থতায় ছাত্রদলের শিরণী বিতরণ ‘দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে যোগাযোগ স্থগিত করছে বাংলাদেশ’ বিদ্রোহী কবিতার শতবর্ষে আবৃত্তি উৎসবের লোগো উন্মোচন তাহিরপুর সীমান্তে গাঁজা-মদের চালানসহ আটক ৩ শাবিতে টিকার দ্বিতীয় ডোজের কার্যক্রম শুরু ব্যালন ডি’অর মেসির হাতেই? বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশে ফ্লাইট চালু করবে ভারত ছাত্রদল নেতা সামসুদ্দোহার পিতার মৃত্যুতে সিলেট ছাত্রদলের শোক করোনার নতুন ধরন উদ্বেগের, নাম ‘ওমিক্রন’: ডব্লিউএইচও টঙ্গীতে আগুনে পুড়ে ছাই মাজার বস্তির পাঁচশর বেশি বসতঘর

জলবায়ু পরিবর্তনই দাবানলের প্রধান কারণ: গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক :
  • আপডেট : মঙ্গলবার, ২ নভেম্বর, ২০২১
জলবায়ু পরিবর্তনই দাবানলের প্রধান কারণ: গবেষণা - Natun Sylhet

পশ্চিম যুক্তরাষ্ট্রে নিয়মিত ভয়াবহ দাবানলের জন্য জলবায়ু পরিরবর্তনই দায়ী। মনুষ্য কর্মকাণ্ডের ফলে সৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নজিরবিহীন বন পুড়ে ছাই হচ্ছে। সোমবার প্রকাশিত এক গবেষণায় এমন তথ্য উঠে এসেছে।

দাবানলের কারণে ২০০১ সাল থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলে বছরে গড়ে ১৩ হাজার ৫শ বর্গ কিলোমিটার এলাকা ধ্বংস হয়েছে। যা ১৯৮৪ থেকে ২০০০ সালের চেয়ে দ্বিগুণ। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সের (পিএনএএস) প্রকাশিত গবেষণার নেতৃত্বদানকারী রং ফু লস অ্যাঞ্জেলস টাইমসকে বলেন, এটি আমাদের পূর্ব প্রত্যাশার চেয়ে অনেক দ্রুত ঘটেছে।

এতো অল্প সময়ের মধ্যে পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অবনতির জন্য কোন বিষয়গুলো অবদান রেখেছে তা বোঝার জন্য ফু-এর নেতৃত্বে মার্কিন গবেষকদের একটি দল বিভিন্ন কারণ বিশ্লেষণ করেছে। ‘ভ্যাপর প্রসার ডিফিসিট’ (ভিপিডি) নিয়ে তারা কাজ করছেন। এর মধ্যমে বাতাস কতটা শুষ্ক তা নির্দেশ করে। বায়ুুমণ্ডলে প্রকৃতপক্ষে উপস্থিত জলের পরিমাণ এবং বায়ুমণ্ডল সর্বাধিক কী পরিমাণ ধরে রাখতে পারে তার মধ্যে পার্থক্য উপস্থাপন করে ভিপিডি। ঘাটতি যত বেশি হবে, মাটি এবং গাছপালা থেকে বাতাসে ততো বেশি জল টানা হয়। এরপর মাটি-গাছপালা শুষ্ক হয়ে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয় যা ক্রমবর্ধমান আগুনের জন্য সহায়ক।

উষ্ণ মৌসুমে পশ্চিম যুক্তরাষ্ট্রে দাবানল বাড়ার জন্য এই ঘাটতি ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত বলে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হয়েছেন। মে থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে উচ্চ শুষ্ক দিনের সংখ্যা ২০০১ থেকে ২০০৮ এর চেয়ে বেড়েছে, যা আগের সময়ের তুলনায় ৯৪ শতাংশ বেশি বলে গবেষণায় বলা হয়।

ফু ও তার সহকর্মীদের গবেষণা অনুযায়ী, প্রাকৃতিক বায়ুমণ্ডলীয় বৈচিত্রের কারণে শুষ্কতার পরিমাণ গড় ৩২ শতাংশ বেড়েছে। বাকি ৬৮ শতাংশ দায়ী বৈশ্বিক উষ্ণতা। যার জন্য মানুষের কর্মকাণ্ডই দায়ী। জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের মতে, মানব ক্রিয়াকলাপের দ্বারা সৃষ্ট গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের কারণে পৃথিবী এরই মধ্যে প্রায় ১.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস উষ্ণ হয়েছে। গত ৫০ বছরেই সবচেয়ে বেশি উষ্ণতা বেড়েছে।

শেয়ার করুন...

এই ক্যাটাগরীর অন্যান্য সংবাদ...

আমাদের সাথে ফেইসবুকে সংযুক্ত থাকুন

© নতুন সিলেট মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। © ২০২১
Design & Developed BY Cloud Service BD
themesba-lates1749691102